শুক্রবার, ৩১ Jul ২০২৬, ০২:২০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মাগুরার নিখোঁজ রত্নাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। মামলা অন্য কোনো এজেন্সি বা সংস্থায় হস্তান্তর দাবি ট্রাফিক স্কুলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী পালন সবার আগে বাংলাদেশ শীর্ষক টিডিএসে ফ্রি চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কসবায় ব্যাংকার্স ফোরামের বিদায় বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং উপদেষ্টা মন্ডলী গঠন আরএমপিতে ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত দাকোপের বাজুয়ায় আব্দুল মান্নান খানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সম্পন্ন কসবায় অবৈধ ড্রেজিংবিরোধী অভিযান, ২টি ড্রেজার ধ্বংস ও ১ লাখ টাকা জরিমানা কসবায় তরুণ মানব সেবা সংগঠনের উদ্যোগে স্বর্ণপদক কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ আল্লামা গোলাম হাক্কানী পীর সাহেব (র) আমার শ্রদ্ধাভাজন উস্তাদ কসবায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নবগঠিত কমিটি শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর,শিক্ষার উন্নয়নে কাজের প্রত্যাশা
আইনমন্ত্রীর সহায়তায় বিক্রি করা নবজাতককে ফিরে পেলেন মা

আইনমন্ত্রীর সহায়তায় বিক্রি করা নবজাতককে ফিরে পেলেন মা

ফাইল ছবি

নিডস নিউজ ডেক্সঃ

নিজস্ব প্রতিবেদক,‘গাইবান্ধায় এক মা মেডিকেল বিল পরিশোধের জন্য ১৬ হাজার টাকায় তার সন্তানকে বিক্রি করেছেন’ ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার একটি ইংরেজি দৈনিকে এনিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের গোচরীভূত হলে তাৎক্ষণিক তিনি গাইবান্ধার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং টাকা ফেরত দিয়ে নবজাতককে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়ার অনুরোধ জানান।

আইনমন্ত্রীর অনুরোধে গতকালই গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন নবজাতককে জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলা থেকে উদ্ধার করে মা আঞ্জুলা বেগমের কোলে ফেরত দেন। সেই সঙ্গে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আঞ্জুলা বেগমকে ২০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, দুই লিটার সয়াবিন তেল, একটি শাড়ি, একটি লুঙ্গি এবং নগদ দুই হাজার টাকা সহায়তা দেন।

এদিকে ক্লিনিকের বিল পরিশোধের জন্য সন্তান বিক্রি করে যে টাকা গ্রহণ করেছিল তা ফেরত দেয়ার জন্য ২০ সেপ্টেম্বর আইনমন্ত্রীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনকে ওই ১৬ হাজার টাকা পাঠানো হয়।

রোববার আঞ্জুলা বেগমের বোনের ছেলে ছানারুল ইসলাম জানান, আঞ্জুলা বেগমের স্বামী শাহজাহান মিয়া ছোট বেলায় গাইবান্ধার সদর উপজেলার সোলাগাড়ী গ্রামে আসেন এবং সেখানেই বসবাস করতে থাকেন। এরপর একই গ্রামের আঞ্জুলা বেগমকে বিয়ে করেন। ইতোপূর্বে তাদের ২ ছেলে ও ১ মেয়ে সন্তান হয়। তাদের নিজস্ব কোন জমি ও বাড়ি নেই। শাহজাহান মিয়া অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। তিনি স্ত্রী-সন্তানসহ পাঁচ জনের পরিবার নিয়ে খুব অভাব অনটনে থাকেন।

গাইবান্ধার যমুনা ক্লিনিকের মালিক ফরিদুল হক সোহেল জানান, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ১২টার দিকে চতুর্থ সন্তান জন্মদানের জন্য আঞ্জুলা বেগম তার ক্লিনিকে ভর্তি হন। পরে রাত ১টার দিকে তিনি একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD